চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস প্রতিনিধি
চট্টগ্রামে খালে ডাস্টবিনে নালায় টুকরো টুকরো লাশ আনিসের। নগরের বায়েজিদ বোস্তামীতে পলিথিনে মোড়ানো দুটি হাত ও দুটি পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে শহীদনগর এলাকা থেকে কেটে নেওয়া এসব দেহাংশ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতবিার রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানার পশ্চিম শহীদনগরের রংধনু গলি এলাকা থেকে পলিথিনে মোড়ানো বাহু থেকে বিছিন্ন দুইটি হাত উদ্ধার করে পুলিশ। হাতগুলোরে আঙ্গুলরে ছাপ যাচাই করে জাতীয় পরচিয়পত্রের র্সাভারে ছবিসহ আনিসের নাম-িঠিকানা পাওয়ায় যায়। ঠিকানা অনুযায়ী আনিসের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই নারীর তথ্য পায় পুলিশ। ওই নারী এবং তার স্বজনদরে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা একর্পযায়ে আসিসকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তাদের নিয়ে অভিযান চালিয়ে বায়েজিদের বিভিন্ন এলাকা থেকে আনিসের শরীরের টুকরো উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার বিকেলে নগরের শীতল র্ঝণা খাল থেকে তার মাথার অংশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
আনিসের স্বজনরা জানিয়েছেন, ওই নারী তাদের প্রতিবেশী একজনরে স্ত্রী। তাদের একাধিক সন্তানও রয়েছে। আনিস একসময় সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারি এলাকায় বড় ভাইয়ের সঙ্গে কসাইয়ের কাজ করতেন। বছরখানেক আগে গরু বেপারিদের টাকা না দিয়ে রাউজানে চলে যান। বছরখানেক ধরে তিনি নানা কাজ করতেন। এরমধ্যে ওই নারীর সঙ্গে তার সর্ম্পক গড়ে উঠে। ওই নারী স্বামীকে ছেড়ে বায়েজিদ বোস্তামী থানার শহীদ নগরে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। সেখানে যাতায়াত ছিল আনিসের।
আনিসের ভাগ্নি জামাই মো. সেলিম বলেন, ‘শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন । চিকিৎসার জন্য স্বজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা ওই নারীর কাছে রেখেছিলেন। শুনেছি সেই টাকা চাইতে গেলে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরে লাশ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দিয়েছে।
রাউজানের চকিদাইর ইউনয়িনের মেম্বার মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন বলেন, ‘যে নারীর সঙ্গে তার সর্ম্পক ছিল সে নারী তার প্রতিবেশী একজনরে স্ত্রী। তিনি স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি করে বাবার বাড়িতে চলে গেছেন। তার আগের স্বামীও আরেকটি বিয়ে করেছে। আনিসকে অক্সিজেন এলাকায় বিভিন্ন সময় দেখা গেলেো কোথায় থাকতেন তা তার পরিবারের লোকজনও জানতেন না। অক্সিজেন এলাকায় ওই নারীর বাবার বাড়িতে যাতায়াত ছিল বলে শুনেছি।
Leave a Reply